পোস্টগুলি

● বিনোদন লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

২০২৫ সালে শোবিজে যাদের সংসার ভাঙার খবর প্রকাশ্যে এসেছে

ছবি
চলে যাচ্ছে ২০২৫ সাল। বছর শেষে হিসাব-নিকাশে দেখা যায়, এটি ছিল দেশীয় শোবিজ অঙ্গনের জন্য এক পরিবর্তনমুখর সময়। কাজের সংকট, সিনেমা হল কমে যাওয়া, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে দর্শকের ঝোঁক—সব মিলিয়ে শিল্পীরা নানা চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে সময় পার করেছে ন। তবে পেশাগত আলোচনার পাশাপাশি আলোচনায় এসেছে কিছু শিল্পীর ব্যক্তিগত জীবনও। ২০২৫ সালে দেশীয় শোবিজে যেমন বেশ কয়েকটি বিয়ের খবর আলোচিত হয়েছে, তেমনি অল্প কিছু দাম্পত্য জীবনের ইতি টানার ঘটনাও সামনে এসেছে। যদিও ভাঙনের সংখ্যা খুব বেশি নয়, তবু যেসব বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ পেয়েছে, সেগুলো ভক্তদের দৃষ্টি কেড়েছে। সংশ্লিষ্ট শিল্পীরাই বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং সংযত অবস্থান বজায় রেখেছেন। দিলশাদ নাহার কনা ও গোলাম মোহাম্মদ ইফতেখার গহিন ২০২৫ সালে সংসার ভাঙার খবরে যাদের নাম প্রথমদিকে আলোচনায় আসে, তাদের মধ্যে অন্যতম সংগীতশিল্পী দিলশাদ নাহার কনা । তিনি ছয় বছর আগে ভালোবেসে গোলাম মোহাম্মদ ইফতেখার গহিন কে বিয়ে করেছিলেন। দাম্পত্য জীবনের শুরুটা সুখের হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দু’জনের মধ্যে মতের অমিল তৈরি হয় বলে জানা যায়। শেষ পর্যন্ত পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমেই তারা আলাদ...

এক সময়ের জনপ্রিয় নায়কদের, রুপালি পর্দার বাইরে সুখের গল্প

ছবি
বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের এক সময়ের জনপ্রিয় নায়কদের কথা উঠলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে বিটিভিতে দেখা অসংখ্য সিনেমা, হৃদয় ছোঁয়া গান আর প্রিয় নায়িকাদের সঙ্গে রোমান্টিক দৃশ্য। সেই সময়ের নায়কেরা ছিলেন দর্শকের ভালোবাসার কেন্দ্রবিন্দু। তবে পর্দার বাইরেও তারা গড়েছেন সুন্দর, স্থির ও ভালোবাসায় ভরা সংসার—যা আজও অনেকের কাছে অনুপ্রেরণা। আজ আমরা এমন চারজন জনপ্রিয় চিত্রনায়কের পারিবারিক জীবনের গল্প জানবো, যাদের সিনেমা দেখে একটি প্রজন্ম বড় হয়েছে। চিত্রনায়ক অমিত হাসান: দীর্ঘ সময়ের সংসার জীবনের উদাহরণ অমিত হাসান এক সময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক, যিনি বহু সফল সিনেমায় অভিনয় করে দর্শকের ভালোবাসা পেয়েছেন। শক্তিশালী উপস্থিতি ও সংলাপ বলার ভঙ্গি তাকে আলাদা পরিচিতি দেয়। ব্যক্তিগত জীবনে অমিত হাসান তার সহধর্মিণী অনন্যার সঙ্গে দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে সংসার করছেন। এই দীর্ঘ পথচলায় তাদের সংসার বরাবরই স্থিতিশীল ও সুন্দর। তাদের দুই কন্যা—লামিসা ও নামিরা। পরিবারকেন্দ্রিক জীবনযাপন এবং পারস্পরিক বোঝাপড়া তাদের দাম্পত্য জীবনের মূল শক্তি বলে মনে করেন কাছের মানুষরা। চিত্রনায়ক আমিন খান: পরিবার ও অভিনয়ের ভারসাম্য নব্বই দশকের জনপ্রিয় নায়ক আমিন...

নব্বই দশকের রুপালি পর্দার চার নায়িকা এখন সন্তানের মা ও শ্বাশুড়ী

ছবি
বাংলাদেশি চলচ্চিত্রের নব্বই দশক মানেই রুপালি পর্দার স্বর্ণালি সময়। সেই সময়ের সিনেমা, গান, গল্প আর অভিনয়—সব মিলিয়ে একটি প্রজন্মের শৈশব ও কৈশোর জড়িয়ে আছে এই দশকের সঙ্গে। আর এই সময়ের সবচেয়ে উজ্জ্বল দিক ছিলেন কয়েকজন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা, যারা দর্শকের হৃদয়ে আজও অমলিন। আজ আমরা কথা বলবো নব্বই দশকের সেরা চার চলচ্চিত্র অভিনেত্রী এবং তাদের সন্তানদের নিয়ে। সময় বদলেছে, ছবিগুলো পুরোনো হয়েছে, কিন্তু তাদের স্মৃতি ও ভালোবাসা আজও ঠিক একই রকম রয়ে গেছে। চিত্রনায়িকা মৌসুমী: পর্দার তারকা থেকে গর্বিত মা নব্বই দশকের শুরু থেকে শেষ—পুরো সময়জুড়েই মৌসুমী ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের অন্যতম প্রধান মুখ। অসংখ্য জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয় করে তিনি দর্শকের ভালোবাসা অর্জন করেছেন। বাস্তব জীবনে মৌসুমী দুই সন্তানের মা। তার ছেলে ফারদিন এবং মেয়ে ফাইজা। ছোটবেলার সেই ছবিগুলো এখন স্মৃতির অ্যালবামে বন্দি, কারণ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারা দুজনই অনেক বড় হয়ে উঠেছে। সম্প্রতি মৌসুমী তার ছেলেকে বিয়ে দিয়েছেন এবং পরিবারে নতুন সদস্য হিসেবে পেয়েছেন আরেকটি মেয়ে—ছেলের বউমা আয়েশা। একজন সফল অভিনেত্রী হওয়ার পাশাপাশি একজন মমতাময়ী মা ও পরিবারের অভিভাবক হিসেবে...

মুকুট না পেলেও অভিনয়ে বাজিমাত! লাক্সের এই ৪ সুন্দরী তারকা কেন দর্শকের প্রিয়

ছবি
বাংলাদেশের টেলিভিশন ও বিনোদন জগতের সবচেয়ে জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্মগুলোর একটি হলো লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার । এই প্রতিযোগিতা শুধু নতুন মুখ খুঁজে দেয় না, বরং ভবিষ্যতের সম্ভাবনাময় অভিনেত্রীদের জন্য একটি বড় মঞ্চ তৈরি করে। তবে বাস্তবতা হলো—প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হলেই যে সবাই বড় তারকা হবেন, এমনটা নয়। আবার অনেক সময় মুকুট না পেলেও কেউ কেউ অভিনয়ের গুণে দর্শকের মনে স্থায়ী জায়গা করে নেন। আজ আমরা এমন চারজন লাক্স সুন্দরী অভিনেত্রীর কথা বলবো, যারা নিজ নিজ সিজনে মুকুট জিততে পারেননি, কিন্তু অভিনয় দক্ষতা, ব্যক্তিত্ব ও পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেদের আলাদা পরিচয় তৈরি করেছেন। নাজিয়া হক অর্ষা: অভিনয়ে সাবলীলতার নাম ২০০৯ সালের লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতায় নাজিয়া হক অর্ষা সেরা পাঁচে জায়গা করে নিয়ে রানার আপ হন। প্রতিযোগিতা শেষ হওয়ার পর থেকেই তিনি ধীরে ধীরে অভিনয়ের মাধ্যমে নিজেকে প্রমাণ করতে শুরু করেন। অর্ষার সবচেয়ে বড় শক্তি তার অভিনয়ের স্বাভাবিকতা। তিনি এমন চরিত্রও অনায়াসে ফুটিয়ে তুলতে পারেন, যেগুলো সহজ নয়। ‘এক হৃদয়হীনা’ কিংবা ‘সাবরিনা’—এ ধরনের ভিন্নধর্মী চরিত্রে তার অভিনয় দর্শকদের আলাদা করে নজর কাড়ে। অর্ষা খ...

জানতেন কি? যেসব জনপ্রিয় অভিনেতা ও ক্রিকেটার বাস্তবে একে অপরের ভায়রা ভাই!

ছবি
বাংলাদেশের বিনোদন ও ক্রীড়াঙ্গন মানেই আলো, ক্যামেরা, জনপ্রিয়তা আর দর্শকের ভালোবাসা। তবে পর্দার আড়ালে অনেক সময় এমন কিছু সম্পর্ক থাকে, যা সাধারণ দর্শক খুব একটা জানেন না। আজ আমরা এমন কিছু জনপ্রিয় অভিনেতা ও ক্রিকেটারের গল্প তুলে ধরবো, যারা শুধু সহকর্মী নন—বাস্তব জীবনে তারা একে অপরের ভায়রা ভাই। এই সম্পর্কগুলো গড়ে উঠেছে ভালোবাসা, পারিবারিক বন্ধন এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার মাধ্যমে। অভিনয় জগতের দুই শক্তিমান: হাসান ইমাম ও বুলবুল আহমেদ বাংলাদেশের অভিনয় ইতিহাসে হাসান ইমাম ও বুলবুল আহমেদ দুটি অত্যন্ত সম্মানিত নাম। একজন অভিনেতা ও নির্মাতা হিসেবে হাসান ইমাম যেমন জনপ্রিয়, তেমনি বুলবুল আহমেদ ছিলেন একাধারে শক্তিশালী অভিনেতা ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। এই দুই গুণী মানুষ বাস্তব জীবনে ভায়রা ভাই। হাসান ইমামের সহধর্মিণী লায়লা হাসান একজন পরিচিত মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও নৃত্যশিল্পী। অন্যদিকে বুলবুল আহমেদের স্ত্রী ডেইজি আহমেদ একজন অভিনেত্রী। লায়লা হাসান ও ডেইজি আহমেদ আপন দুই বোন। ফলে পারিবারিক সূত্রে এই দুই কিংবদন্তি শিল্পী একে অপরের ঘনিষ্ঠ আত্মীয়। আধুনিক নাট্যাঙ্গনের পরিচিত মুখ: তৌকির আহমেদ ও শাহেদ শরীফ খান নাটক ও চলচ্চিত...

হঠাৎ সিনেমা ছাড়ার সিদ্ধান্ত! কিংবদন্তি নায়িকা শাবানা ও তার সন্তানদের প্রবাসে নীরব জীবন

ছবি
বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে যে কয়জন নারী শিল্পী দীর্ঘ সময় ধরে জনপ্রিয়তার শীর্ষে অবস্থান করেছেন, শাবানা তাঁদের মধ্যে অন্যতম, বরং বলা যায় শীর্ষস্থানীয়। কয়েক দশক ধরে তাঁর উপস্থিতি, অভিনয় দক্ষতা ও ব্যক্তিত্ব বাংলা সিনেমাকে সমৃদ্ধ করেছে। দর্শকের ভালোবাসা, নির্মাতাদের আস্থা এবং সহশিল্পীদের সম্মান—সবকিছু মিলিয়ে শাবানা হয়ে উঠেছিলেন এক অনন্য কিংবদন্তি। শাবানার অভিনয়জীবন শুরু হয়েছিল তুলনামূলক কম বয়সেই। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তিনি নিজেকে প্রমাণ করেছেন একজন পরিপূর্ণ অভিনেত্রী হিসেবে। রোমান্টিক চরিত্র থেকে শুরু করে পারিবারিক, সামাজিক ও শক্ত নারী চরিত্র—সব ক্ষেত্রেই তিনি ছিলেন সমান সাবলীল। তাঁর অভিনয়ে ছিল সংযম, গভীরতা ও বাস্তবতার ছোঁয়া, যা দর্শককে সহজেই চরিত্রের সঙ্গে যুক্ত করে ফেলত। সত্তর, আশি ও নব্বই দশক—এই দীর্ঘ সময়ে শাবানা ছিলেন বাংলা চলচ্চিত্রের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য নায়িকা। অসংখ্য ব্যবসাসফল ও সমালোচকপ্রশংসিত ছবিতে অভিনয় করে তিনি নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন ইন্ডাস্ট্রির অপরিহার্য অংশ হিসেবে। সহশিল্পী হিসেবে তিনি পেয়েছেন দেশের প্রায় সব জনপ্রিয় নায়ককে, আর প্রতিটি জুটিতেই তিনি ছিলেন সমানভাবে প্রভাবশালী। কিন্তু এ...

জনপ্রিয়তার শীর্ষে থেকেও সব ছেড়ে আমেরিকায় পাড়ি! লুৎফুন নাহার লতার অজানা জীবনকথা

ছবি
বাংলাদেশের টেলিভিশন নাটকের ইতিহাসে আশির দশক ছিল এক স্বর্ণালি সময়। এই সময়েই জন্ম নেয় অসংখ্য গুণী অভিনয়শিল্পী, যাঁদের অভিনয় আজও দর্শকের মনে দাগ কেটে আছে। সেই তালিকায় অন্যতম উজ্জ্বল নাম লুৎফুন নাহার লতা। অভিনয়গুণ, ব্যক্তিত্ব ও পরিণত মানসিকতার কারণে তিনি হয়ে উঠেছিলেন এক অনন্য শিল্পী। লুৎফুন নাহার লতা মূলত পরিচিতি পান বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত জনপ্রিয় ধারাবাহিক নাটকের মাধ্যমে। বিশেষ করে লেখক ও নির্মাতা হুমায়ূন আহমেদের নাটকে তাঁর উপস্থিতি ছিল অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য। ‘বহুব্রীহি’, ‘এইসব দিনরাত্রি’ ও ‘চর আতরজান’—এই নাটকগুলোতে তাঁর অভিনয় দর্শকের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নেয়। সংলাপ বলার সাবলীলতা, চোখের অভিব্যক্তি আর চরিত্রের গভীরে প্রবেশ করার ক্ষমতা তাঁকে আলাদা করে চিনিয়ে দেয়। শুধু টেলিভিশনেই নয়, চলচ্চিত্রেও লুৎফুন নাহার লতা রেখে গেছেন নিজের ছাপ। ‘একাত্তরের লাশ’ চলচ্চিত্রে তাঁর অভিনয় প্রশংসিত হয় সমালোচক ও দর্শক—উভয়ের কাছেই। সেই সময় খুব কম শিল্পীই টিভি ও সিনেমা—দুই মাধ্যমেই সমান দক্ষতার পরিচয় দিতে পেরেছিলেন। পাশাপাশি মঞ্চনাটকেও ছিল তাঁর সক্রিয় অংশগ্রহণ। নাট্যদলগুলোর নিয়মিত প্রযোজনায় তাঁকে দেখা যেত,...

উদ্বোধনের দিনেই ইতিহাস! দুবাইয়ে শাহরুখ খান টাওয়ার বিক্রিতে রেকর্ড

ছবি
দুবাইয়ের রিয়েল এস্টেট বাজারে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সূচনা ঘটল শাহরুখ খান টাওয়ার উদ্বোধনের মাধ্যমে। উদ্বোধনের দিনেই সম্পূর্ণ প্রকল্প বিক্রি হয়ে যাওয়া শুধু একটি বাণিজ্যিক সাফল্য নয়, বরং এটি বিশ্বব্যাপী বিনোদন ও রিয়েল এস্টেট শিল্পের এক ব্যতিক্রমী মাইলফলক। আনুমানিক ₹১৫,০০০ কোটিরও বেশি বিক্রির মাধ্যমে এই প্রকল্প ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক আলোচনার কেন্দ্রে চলে এসেছে। দুবাইয়ের রিয়েল এস্টেটে নতুন মাত্রা দুবাই দীর্ঘদিন ধরেই বিলাসবহুল রিয়েল এস্টেট প্রকল্পের জন্য পরিচিত। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের বিনিয়োগকারীরা এখানকার আধুনিক অবকাঠামো, কর-বান্ধব নীতি এবং বৈশ্বিক সংযোগের কারণে আকৃষ্ট হন। শাহরুখ খান টাওয়ার সেই ধারাবাহিকতাকেই আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে গেল। এই প্রকল্পটি শুধু একটি আবাসিক বা বাণিজ্যিক ভবন নয়, বরং এটি একটি গ্লোবাল ব্র্যান্ডিং স্টেটমেন্ট। শাহরুখ খানের ব্র্যান্ড ভ্যালু শাহরুখ খান শুধুমাত্র একজন অভিনেতা নন, তিনি একটি আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড। কয়েক দশক ধরে তার জনপ্রিয়তা ভারতীয় উপমহাদেশ ছাড়িয়ে মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, আমেরিকা ও আফ্রিকা পর্যন্ত বিস্তৃত। রিয়েল এস্টেট বিশেষজ্ঞদের মতে, এই ...

মৃত্যুর ১১ বছর পরও কেন দর্শকের হৃদয়ে অমর অভিনেতা খলিল উল্লাহ খান?

ছবি
বাংলা চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন নাটকের ইতিহাসে যেসব অভিনেতা তাদের প্রতিভা দিয়ে স্থায়ী আসন করে নিয়েছেন, খলিল উল্লাহ খান তাঁদের অন্যতম। মৃত্যুর এক যুগ পেরিয়ে গেলেও আজও তিনি দর্শকের মনে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও মুগ্ধতার প্রতীক হয়ে আছেন। তার অভিনয়, ব্যক্তিত্ব ও জীবনসংগ্রাম নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের জন্য এক অনুপ্রেরণার নাম। খলিল উল্লাহ খানের পুরো নাম আবুল ফজল মোহম্মদ খলিল উল্লাহ খান। তিনি জন্মগ্রহণ করেন ১৯৩৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি, ভারতের মেদিনীপুর জেলায়। তার বাবা ছিলেন একজন পুলিশ কর্মকর্তা। বাবার চাকরির সুবাদে শৈশব ও কৈশোর কেটেছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে—সিলেট, কৃষ্ণনগর, বগুড়া, বর্ধমান ও নোয়াখালীর মতো জায়গায়। এই ভিন্ন ভিন্ন পরিবেশে বেড়ে ওঠাই তার চিন্তা-চেতনায় বৈচিত্র্য এনে দেয়, যা পরবর্তীতে তার অভিনয়ে গভীর প্রভাব ফেলে। শিক্ষাজীবনে খলিল উল্লাহ খান ছিলেন মনোযোগী ছাত্র। তিনি ১৯৪৮ সালে সিলেট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। এরপর ১৯৫১ সালে সিলেটের মদনমোহন কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক সম্পন্ন করেন। উচ্চশিক্ষার জন্য তিনি ভর্তি হন সিলেটের ঐতিহ্যবাহী মুরারিচাঁদ কলেজে, সেখান থেকেই স্নাতক ডিগ্রি অর...

চিকিৎসা শেষে লন্ডনে ইলিয়াস কাঞ্চন—দীর্ঘদিন পর সহকর্মী সোনিয়ার সঙ্গে আবেগঘন পুনর্মিলন

ছবি
বাংলাদেশের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন বহু দশক ধরে চলচ্চিত্রের দর্শকদের কাছে এক পরিচিত নাম। অভিনয়ে সাফল্যের পাশাপাশি দেশের সড়ক নিরাপত্তা আন্দোলনে তাঁর অবদান তাকে আরও বিশেষ মর্যাদায় আসীন করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থান করছেন তিনি। চিকিৎসা–শেষ বিশ্রামের এই সময়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেছেন নব্বই দশকের পরিচিত মুখ, চিত্র নায়িকা সোনিয়া । দীর্ঘদিন পর দুই তারকার এই সাক্ষাৎ নিয়ে চলচ্চিত্র অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। চিকিৎসা শেষে বিশ্রামে ইলিয়াস কাঞ্চন ইলিয়াস কাঞ্চন সবসময়ই জনজীবন ও সামাজিক আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকেন। বিভিন্ন সেমিনার, সভা ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মধ্যে তাঁর দিনের বেশিরভাগ সময় কাটে। ব্যস্ততার মধ্যেও তিনি নিয়মিত কাজ করেছেন নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে। তবে গত কয়েক মাসে তাঁর শারীরিক অবস্থার কিছুটা অবনতি হয়েছিল বলে সূত্র জানিয়েছে। চিকিৎসকদের পরামর্শে তিনি লন্ডনে চিকিৎসা নিতে যান। প্রয়োজনীয় মেডিকেল চেকআপ ও চিকিৎসার পর এখন ধীরে ধীরে সুস্থতার পথে। চিকিৎসার ফলোআপ শেষে এখন তিনি বিশ্রাম নিচ্ছেন এবং পারিবারিক সময় কাটাচ্ছেন। সোনিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিন পর দ...

ধর্মীয় অনুপ্রেরণায় নতুন পথে অভিনেত্রী মৌ খান: বিনোদন জগতের আলোচিত সিদ্ধান্ত

ছবি
ঢাকাই চলচ্চিত্রে গত কয়েক বছরে যারা নতুন মুখ হিসেবে নিজেদের পরিচিতি তৈরি করেছেন, তাদের মধ্যে মৌ খান অন্যতম। জনপ্রিয়তা, ব্যস্ততা, নতুন নতুন কাজের প্রস্তাব—সবকিছু মিলিয়ে ক্যারিয়ার গতি ছিল ঊর্ধ্বমুখী। তবে সম্প্রতি তিনি এমন এক ঘোষণায় সামনে এসেছেন, যা বিনোদন অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। মৌ খান জানিয়েছেন, তিনি অভিনয় জগত থেকে সরে এসে ধর্মীয় অনুপ্রেরণাকে প্রাধান্য দিতে চান এবং বাকি জীবন ইসলামের আলোকে কাটাতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এই ঘোষণা তিনি নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করেন। যেখানে তিনি উল্লেখ করেন, জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি আল্লাহর আদেশ ও রাসুল (স.)-এর সুন্নাহকে অনুসরণ করার চেষ্টা করবেন। তার এই ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তকে ঘিরে ভক্ত, দর্শক এবং সহকর্মীদের মধ্যে সাড়া পড়েছে। অভিনয়জীবনের শুরু থেকে আলোচিত যাত্রা মৌ খান খুব অল্প সময়ের মধ্যেই পা রাখেন বাণিজ্যিক চলচ্চিত্রে। “প্রতিশোধের আগুন”, “অমানুষ হলো মানুষ”, “যেমন জামাই তেমন বউ” এবং “বান্ধব”—এমন একাধিক সিনেমায় অভিনয় করে নজর কাড়েন তিনি। শুরু থেকেই তার অভিনয় ও পর্দার উপস্থিতি দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। চলচ্চিত্রের পাশাপাশি তিনি মিউজিক ভ...

কিংবদন্তী নায়িকা ববিতা: কোথায় আছেন এবং কেমন আছেন?

ছবি
বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের উজ্জ্বল নক্ষত্র ববিতা (আসল নাম: ফরিদা আক্তার) আজও কোটি দর্শকের হৃদয়ে স্থান করে আছেন। ৭২ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি অভিনেত্রী বর্তমানে বেশিরভাগ সময় কানাডায় থাকেন। যদিও তিনি বছরে কিছু সময় ঢাকায় এসে তার পরিবার এবং বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটান। ঢাকার গুলশানে তার একটি আলীশান বাড়ি রয়েছে, যেখানে তিনি ফিরে আসলে তার বোন সুচন্দা এবং চম্পার সঙ্গে বেশ সময় কাটান। ববিতার ছেলে অনিক, যিনি বর্তমানে কানাডায় চাকরি করছেন, তার সঙ্গেই বেশিরভাগ সময় কাটান। কিছুদিন পর পর তিনি কানাডায় গিয়ে ছেলের সঙ্গে সময় কাটিয়ে আসেন। তবে, দেশে আসলেই ববিতা তার চলচ্চিত্র জীবনের স্মৃতি এবং পুরনো সহকর্মীদের সঙ্গে মিলিত হন। ববিতার শৈশব ও চলচ্চিত্রের যাত্রা ববিতার শৈশব চলচ্চিত্র পরিবেশে কাটে। বড় বোন সুচন্দা এবং ছোট বোন চম্পা ছিলেন জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী। তাদের অনুপ্রেরণায় ছোটবেলা থেকেই তিনি চলচ্চিত্রের প্রতি আকৃষ্ট হন। প্রথমদিকে তিনি শিশু শিল্পী হিসেবে কাজ শুরু করেন, পরে জহির রায়হানের "জ্বলতে সূর্য নিভে গেছে" ছবিতে নায়িকা হিসেবে তার যাত্রা শুরু হয়। ববিতার চলচ্চিত্রকর্ম ববিতা শুধু একজন অভিনেত্রী নন,...

শাকিলা জাফর: সঙ্গীতের মঞ্চ থেকে জীবনের নতুন অধ্যায়ে

ছবি
বাংলাদেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী শাকিলা জাফর, যিনি তাঁর সুরেলা কণ্ঠ এবং জনপ্রিয় গানের জন্য অত্যন্ত পরিচিত, তাঁর ব্যক্তিগত জীবনও সঙ্গীতের মতোই আলোচিত এবং দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু। তার জীবনের গল্প শুধু তার গানেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং তার ব্যক্তিগত সম্পর্ক এবং দাম্পত্য জীবনও মাঝে মাঝে গণমাধ্যমে উঠে এসেছে। বিশেষ করে তার দুটি বিবাহের ঘটনা সঙ্গীতপ্রেমীদের কাছে অনেকটাই পরিচিত। প্রথম দাম্পত্য জীবন: মান্না জাফর শাকিলা জাফরের প্রথম বিয়ে হয় পেশায় প্রকৌশলী মান্না জাফরের সঙ্গে। এই সম্পর্কের পর, শাকিলা তার নামের সাথে "জাফর" পদবী যুক্ত করেন এবং পরিচিত হন শাকিলা জাফর নামে। শাকিলা জাফর ও মান্না জাফরের দাম্পত্য জীবন ছিল দীর্ঘ, কিন্তু কিছু কারণে তাদের সম্পর্কের অবনতি ঘটে। ফলস্বরূপ, তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটে। এই সম্পর্কের থেকে শাকিলা একটি সন্তানও লাভ করেন, যার নাম মুফরাত জাফর। মান্না জাফরের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর শাকিলা বেশ কিছু সময় এককভাবে জীবনযাপন করেন, তবে তার পেশাগত জীবন এবং সঙ্গীতের প্রতি অনুরাগের কারণে তিনি তার ক্যারিয়ারেও সফলতা অর্জন করেন। দ্বিতীয় দাম্পত্য জীবন: রবি শর্মার সঙ্গে নতুন শুরু দ...

ধর্মেন্দ্রর ৪০০ কোটি রুপির সাম্রাজ্য: দুই স্ত্রী ও ছয় সন্তানের মধ্যে কীভাবে ভাগ হবে এই বিশাল সম্পত্তি?

ছবি
বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র মাত্র কয়েকদিন আগেই ভক্তদের কাঁদিয়ে চলে গেছেন না-ফেরার দেশে। ৯০তম জন্মদিনের ঠিক আগমুহূর্তে তাঁর প্রস্থান বলিউড ইতিহাসে এক গভীর শূন্যতা তৈরি করেছে। তবে তাঁর মৃত্যু ঘিরে আরেকটি প্রশ্ন এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু—আনুমানিক ৪০০ থেকে ৪৫০ কোটি রুপি মূল্যের এই বিশাল সম্পত্তি কার ভাগে যাবে? ধর্মেন্দ্র রেখে গেছেন দুই স্ত্রী— প্রকাশ কৌর এবং হেমা মালিনী , এবং মোট ছয় সন্তান — সানি দেওল, ববি দেওল, অজিতা দেওল, বিজেতা দেওল, এষা দেওল ও অহনা দেওল। বলিউডের প্রথম সারির এই পরিবারের সম্পত্তি বণ্টন নিয়ে ভক্ত, আইনি বিশেষজ্ঞ এবং মিডিয়ার আগ্রহ স্বাভাবিকভাবেই তুঙ্গে। ধর্মেন্দ্রর সম্পত্তির পরিমাণ কত? উপস্থিত তথ্য অনুযায়ী তাঁর মোট সম্পদের পরিমাণ আনুমানিক ৪০০–৪৫০ কোটি রুপি । এই সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে— ১. মুম্বাইয়ের বিলাসবহুল বাংলো মুম্বাইয়ের ব্যস্ত ও উচ্চমূল্যের এলাকায় অবস্থিত এই বাংলোই বহু বছর ধরে ধর্মেন্দ্রর স্থায়ী আবাস। ২. লোনাওয়ালার ১০০ একরের ফার্মহাউস এই ফার্মহাউসটির সঙ্গে তাঁর আবেগ জড়িয়ে ছিল সবচেয়ে বেশি। জীবনের শেষ বছরগুলোতে তিনি এখানে চাষাবাদ, পশুপাখির যত্ন এবং প্...

স্বামীর বিরুদ্ধে ‘অস্বাভাবিক আচরনের’ অভিযোগ—সেলিনা জেটলির বিস্ফোরক দাবি ও চলমান আইনি লড়াই

ছবি
বলিউডের পরিচিত মুখ এবং সাবেক মিস ইন্ডিয়া সেলিনা জেটলি আবারও আলোচনায়। তবে এবার আলোচনার কেন্দ্রে তার কোনো নতুন ছবি বা গ্ল্যামারস ফটোশুট নয়; বরং স্বামী পিটার হাগের বিরুদ্ধে করা একাধিক গুরুতর অভিযোগ। ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, সেলিনার অভিযোগকে কেন্দ্র করে আদালতে এখন চলছে তাদের বিবাহবিচ্ছেদের মামলা, যেখানে উভয় পক্ষই নিজেদের দাবি পেশ করছেন। ২০১০ সালে অস্ট্রিয়ার নাগরিক ও হোটেল ব্যবসায়ী পিটার হাগকে বিয়ে করেন সেলিনা। একসময়ে সুখী দম্পতির ভাবমূর্তি বহন করা এই পরিবারে এখন চলছে অস্থিরতা, অভিযোগ-প্রতিযোগ ও আইনি লড়াই। ২০২৫ সালে এসে সেই সম্পর্ক তীব্রভাবে ভেঙে পড়েছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে আদালতের নথি। সেলিনার অভিযোগ: ‘অস্বাভাবিক সম্পর্ক’ থেকে অপমান—বছরের পর বছর সহ্য করতে হয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সেলিনা জানান, তিনি অস্ট্রিয়ার বাড়ি থেকে পালিয়ে সন্তানদের নিয়ে ভারতে ফিরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। আদালতে দাখিল করা আবেদনে তিনি দাবি করেন— স্বামী তাকে অস্বাভাবিক যৌনতায় বাধ্য করতেন। পায়ুপথে যৌনতা করতে চাপ দেওয়া হতো। তার নগ্ন ছবি তুলে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করা হতো। মানসিকভাব...

চোখ কপালে তুলবে! বলিউড তারকারা বিয়েতে নেচে নেন যে অবিশ্বাস্য পারিশ্রমিক!

ছবি
ভারতের বিয়ের সংস্কৃতি বরাবরই রঙিন, জাঁকজমকপূর্ণ এবং ঐতিহ্যপূর্ণ। তবে গত দুই দশকে এই পুরো চিত্রটি নাটকীয়ভাবে বদলে দিয়েছে বলিউড তারকাদের উপস্থিতি। আজকের দিনে উচ্চবিত্ত কিংবা শিল্পপতিদের অনেকেই নিজেদের বিয়েকে আরও স্মরণীয় করে তুলতে মঞ্চে নাচার জন্য আমন্ত্রণ জানান জনপ্রিয় বলিউড সেলিব্রিটিদের। আর এই ট্রেন্ড বলিউডের একটি আলাদা বাজার তৈরি করেছে যেখানে পারিশ্রমিকের অঙ্ক প্রায়ই কল্পনা র সীমা ছাড়িয়ে যায়। যদিও প্রকাশ্যে খুব কম তারকাই এই বিষয়ে কথা বলেন, তবুও বিভিন্ন ইভেন্ট আয়োজক ও সোশ্যাল মিডিয়ায় ফাঁস হওয়া তথ্য থেকে একটা ধারণা পাওয়া যায়—বিয়েতে মাত্র কয়েক মিনিট স্টেজে পারফর্ম করার জন্য বলিউড তারকারা যে পারিশ্রমিক পান, তা সহজেই ব্লকবাস্টার ছবির সাইনিং অ্যামাউন্টকেও টেক্কা দিতে পারে। হাই-প্রোফাইল বিয়ের নতুন গন্তব্য: বলিউড গ্ল্যামার হলিউডে রেড-কার্পেট ইভেন্ট যেমন রীতিমতো ব্র্যান্ডিংয়ের অংশ, ভারতের অনেক কর্পোরেট পরিবার ও ব্যবসায়ী মহলেও তেমনভাবেই বিয়ের অনুষ্ঠান এখন একপ্রকার “শো অফ সোশ্যাল স্ট্যাটাস” হয়ে উঠেছে। আর সেই স্ট্যাটাস বাড়াতে অতিথির তালিকায় শুধু তারকারা থাকলেই হয় না—অনেকে এখন সরাসরি চায় তাদের ...

বাউলশিল্পী আবুল সরকারের বিতর্কিত মন্তব্যকে ঘিরে শিল্পী সমাজে প্রতিক্রিয়া: ভিডিওবার্তায় কথা বললেন সংগীতশিল্পী সালমা

ছবি
দেশের লোকসংগীত অঙ্গন বর্তমানে এক আলোচিত বিতর্কের মুখে দাঁড়িয়েছে। বাউলশিল্পী আবুল সরকারের বিরুদ্ধে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ ওঠার পর পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয় এবং তাকে আটক করে মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ঘটনার পর থেকে সাধারণ মানুষ, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত পেয়েছেন বলে দাবি করা না গরিক এবং শিল্পী সমাজ—সবমিলিয়ে দেশের বিভিন্ন মহল এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় লোকসংগীতশিল্পী মৌসুমী আক্তার সালমা একটি ভিডিওবার্তায় শিল্পীদের দায়িত্বশীল আচরণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন, যা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অভিযোগ ও গ্রেপ্তার–সংক্রান্ত তথ্য ঘটনার সূত্রপাত ৪ নভেম্বর মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার জাবরা এলাকায় আয়োজিত একটি পালাগানের অনুষ্ঠানে। অভিযোগ রয়েছে, সেখানে আবুল সরকার তার পরিবেশনার এক পর্যায়ে ধর্মীয়ভাবে সংবেদনশীল কিছু মন্তব্য করেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত বেশ কয়েকজন ব্যক্তি বিষয়টি লক্ষ্য করেন এবং পরে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন। ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে উত্তপ্ত আলোচনা শুরু হয় এবং স্থানীয়ভাবে প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়। পরদিন ৫ নভেম্বর রাতে মাদারীপুরের একটি অনুষ্ঠানে গ...