পোস্টগুলি

হাত-পা ছাড়াই যিনি বদলে দিয়েছিলেন ‘অসম্ভব’-এর সংজ্ঞা | প্রিন্স রেন্ডিয়ানের অনুপ্রেরণামূলক গল্প

ছবি
মানুষের জীবনে সীমাবদ্ধতা কীভাবে সংজ্ঞায়িত হবে—এই প্রশ্নের উত্তর দিতে গেলে প্রিন্স রেন্ডিয়ানের নাম বারবার সামনে আসে। জন্মগতভাবে হাত-পা ছাড়া একজন মানুষ কীভাবে সমাজে নিজের জায়গা তৈরি করতে পারেন, কীভাবে স্বনির্ভর জীবন গড়ে তুলতে পারেন—তার বাস্তব উদাহরণ হয়ে আছেন এই অসাধারণ মানুষটি। ১৮৭১ সালে জন্মগ্রহণ করেন প্রিন্স রেন্ডিয়ান। জন্মের সময়ই চিকিৎসকেরা বুঝতে পারেন, তার শরীরে কোনো হাত বা পা নেই। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই অবস্থাকে বলা হয় টেট্রা-অ্যামেলিয়া সিনড্রোম —একটি অত্যন্ত বিরল শারীরিক অবস্থা, যেখানে চারটি অঙ্গই অনুপস্থিত থাকে। সেই সময়কার সমাজব্যবস্থায় এমন অবস্থায় জন্ম নেওয়া মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে খুব একটা আশাবাদী হওয়ার সুযোগ ছিল না। অনেকেই ধরে নিতেন, এমন মানুষ আজীবন পরনির্ভরশীল থাকবে। নিজের কোনো কাজ নিজে করতে পারবে না। কিন্তু প্রিন্স রেন্ডিয়ান ধীরে ধীরে এই ধারণাগুলোকেই ভুল প্রমাণ করেন। তিনি দেখিয়ে দেন, শারীরিক সীমাবদ্ধতা মানুষের সম্ভাবনাকে থামাতে পারে না—যদি মানসিক শক্তি অটুট থাকে। শৈশব থেকেই তিনি নিজের শরীরকে বোঝার চেষ্টা করেন। কীভাবে ভারসাম্য রাখতে হয়, কীভাবে মাটিতে চলাচল করতে হয়—এসব তিনি নিজ...

সৌদি আরবে বড় সিদ্ধান্ত: মার্কেটিং ও সেলস খাতে বদলে যাচ্ছে চাকরির নিয়ম

ছবি
সৌদি আরবে কর্মরত লাখো প্রবাসী কর্মীর জন্য নতুন করে উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে দেশটির সর্বশেষ শ্রমবাজার নীতি। মার্কেটিং ও সেলস খাতে সৌদি নাগরিকদের কর্মসংস্থান বাড়াতে কঠোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সৌদি সরকার। এই সিদ্ধান্তের ফলে সংশ্লিষ্ট খাতে কর্মরত বিদেশি কর্মীদের চাকরির ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সৌদি আরবের মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয় এক আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় জানায়, দেশটির বেসরকারি খাতে মার্কেটিং ও সেলস বিভাগে কর্মরত প্রতিষ্ঠানে এখন থেকে কমপক্ষে ৬০ শতাংশ কর্মী সৌদি নাগরিক হতে হবে। নতুন এই নীতিমালা সৌদি আরবের শ্রমবাজার সংস্কারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। কোন প্রতিষ্ঠানগুলো এই নিয়মের আওতায় পড়বে মন্ত্রণালয়ের ঘোষণায় বলা হয়েছে, যেসব প্রতিষ্ঠানে তিন বা তার বেশি কর্মী রয়েছেন, তাদের ক্ষেত্রে এই নিয়ম বাধ্যতামূলকভাবে প্রযোজ্য হবে। অর্থাৎ ছোট প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে বড় করপোরেট কোম্পানি—সবাইকে নতুন কাঠামোর মধ্যে আসতে হবে। মার্কেটিং খাতে যেসব পদে প্রযোজ্য মার্কেটিং খাতে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পদকে সৌদিকরণের আওতায় আনা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে— মার্কেটিং ম...

নির্বাচনে সেনাবাহিনীর ভূমিকা কী হবে? নিরপেক্ষ ভোটের নির্দেশ সেনাপ্রধানের

ছবি
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সব পর্যায়ের কর্মকর্তা ও সৈনিকদের পেশাদারত্ব, সংযম এবং নিরপেক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে সেনাবাহিনী কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ নেবে না এবং পুরো প্রক্রিয়া হবে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ। সেনানিবাসে গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা রোববার (১৮ জানুয়ারি) ঢাকা সেনানিবাসে আয়োজিত পৃথক দুটি সভায়—একটি সৈনিকদের সঙ্গে দরবার এবং অন্যটি কর্মকর্তাদের সঙ্গে অফিসার্স অ্যাড্রেসে—সেনাপ্রধান এসব নির্দেশনা দেন। রাজধানীর বাইরে কর্মরত কর্মকর্তারাও অনলাইনের মাধ্যমে সভায় যুক্ত ছিলেন। সভায় নির্বাচনকালীন নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং সেনাবাহিনীর দায়িত্ব পালনের নীতিমালা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। নিরপেক্ষতার বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা সেনাপ্রধান তার বক্তব্যে স্পষ্টভাবে বলেন, নির্বাচনের সময় কোনো ধরনের স্বজনপ্রীতি, পক্ষপাত বা রাজনৈতিক প্রভাব গ্রহণযোগ্য নয়। তিনি উল্লেখ করেন, ভোটের মাঠে সেনাবাহিনীর একমাত্র পরিচয় হবে—রাষ্ট্রের নিরপেক্ষ নিরাপত্তা বাহিনী হিসেবে দায়...

মক্কার কাছে বিশাল সোনার খনি আবিষ্কার | সৌদি অর্থনীতিতে নতুন সম্ভাবনা, শুরু বিতর্ক

ছবি
সৌদি আরবের পবিত্র নগরী মক্কার নিকটবর্তী এলাকায় সম্প্রতি এক বিশাল স্বর্ণখনির সন্ধান পাওয়া গেছে, যা দেশটির খনিজ ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় খনিজ কোম্পানি ‘মাদিন’ (Ma’aden) জানায়, মানসুরা–মাসারা স্বর্ণখনির দক্ষিণাংশে বিস্তৃত নতুন এই খনিজ ভান্ডার প্রায় ১০০ থেকে ১২৫ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে অবস্থান করছে। প্রাথমিক অনুসন্ধান ও পরীক্ষাগার বিশ্লেষণে দেখা গেছে, এই অঞ্চলের মাটিতে আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী উচ্চমাত্রার সোনার উপস্থিতি রয়েছে। স্বর্ণখনির ভূতাত্ত্বিক গুরুত্ব বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি টন মাটিতে সর্বোচ্চ ২০ গ্রাম পর্যন্ত সোনা পাওয়া যাওয়া একটি অত্যন্ত সমৃদ্ধ খনিজ অঞ্চলের ইঙ্গিত দেয়। বৈশ্বিক স্বর্ণশিল্পে এমন মানের খনি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে ধরা হয়। বর্তমানে মানসুরা–মাসারা খনিতে আনুমানিক ৭০ লাখ আউন্স সোনা মজুদ রয়েছে এবং প্রতিবছর গড়ে প্রায় আড়াই লাখ আউন্স সোনা উত্তোলন করা হচ্ছে। নতুন এই অঞ্চল যুক্ত হলে উৎপাদন সক্ষমতা আরও বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। সৌদি অর্থনীতিতে সম্ভাবনার নতুন দিগন্ত এই আবিষ্কার সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০ পরিকল্পনার সঙ্গে সরাসরি সামঞ্জস্যপূর্ণ। ভিশন ২০৩০...

মায়ের চোখের আড়ালে এক মুহূর্ত, ট্রেনে ঝরে গেল আড়াই বছরের প্রাণ | হৃদয়বিদারক ঘটনা

ছবি
চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গায় একটি সাধারণ দুপুর মুহূর্তেই রূপ নেয় চরম হৃদয়বিদারক ঘটনায়। মায়ের হাতে ভাত খাচ্ছিল আড়াই বছর বয়সী শিশু আইমান সামির। কেউ কল্পনাও করতে পারেনি, সেই শান্ত মুহূর্তের পরই একটি পরিবারের সমস্ত সুখ নিমিষেই ছিন্নভিন্ন হয়ে যাবে। রোববার (১৮ জানুয়ারি) দুপুরে আলমডাঙ্গা উপজেলার পশুহাট সংলগ্ন রেললাইনে ঘটে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। আইমান সামির আলমডাঙ্গা উপজেলার মির ইউনিয়নের বেলগাছি ইউনিয়নের দোয়ারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা সোহাগ আলীর একমাত্র সন্তান। জীবিকার তাগিদে রেললাইনের পাশেই বসত গড়ে তুলেছিলেন সোহাগ আলী ও তার পরিবার। সেই রেললাইনই শেষ পর্যন্ত কেড়ে নিল তাদের জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। যেভাবে ঘটল দুর্ঘটনাটি প্রত্যক্ষদর্শী ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দুপুরের খাবারের সময় শিশুটিকে বাড়ির সামনের রেললাইনের পাশে বসিয়ে ভাত খাওয়াচ্ছিলেন তার মা। খাওয়ানোর এক পর্যায়ে পানি আনতে মাত্র কয়েক সেকেন্ডের জন্য ঘরের ভেতরে যান তিনি। ঠিক সেই সময় দূর থেকে ট্রেনের শব্দ কানে আসে আইমানের। শিশুসুলভ কৌতূহলে সে মায়ের কোল থেকে নেমে দৌড়ে রেললাইনের দিকে চলে যায়। ঠিক সেই মুহূর্তেই ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী ‘সুন্দরবন...

সৌদির চাপ, ঢাকার সময় চাওয়া: ৬৯ হাজার রোহিঙ্গা পাসপোর্ট নিয়ে কোন পথে বাংলাদেশ?

ছবি
সৌদি আরবে অবস্থানরত প্রায় ৬৯ হাজার রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশি পাসপোর্ট দেওয়ার প্রক্রিয়াটি এখন বাংলাদেশের জন্য একটি সংবেদনশীল কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক চ্যালেঞ্জে পরিণত হয়েছে। নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে কাজ শেষ না হওয়ায় সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে বারবার তাগাদা দেওয়া হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ সরকার আগামী মার্চ পর্যন্ত অতিরিক্ত সময় চেয়েছে। এই পাসপোর্ট বিতরণ উদ্যোগটি শুধু একটি কাগজপত্র সংক্রান্ত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া নয়; বরং এটি দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজারে বাংলাদেশের অবস্থান এবং আন্তর্জাতিক মানবিক দায়বদ্ধতার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত। কেন এই পাসপোর্ট ইস্যু গুরুত্বপূর্ণ ১৯৭৭ সালের দিকে বিভিন্ন সময়ে মিয়ানমার ও তৎকালীন অঞ্চল থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে বহু রোহিঙ্গা সৌদি আরবে আশ্রয় নেয়। সৌদি সরকার দীর্ঘদিন ধরেই তাদের “বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠী” হিসেবে চিহ্নিত করে আসছে এবং তাদের বৈধ অবস্থান নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকারের সঙ্গে একটি সমঝোতায় পৌঁছায়। এই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ সরকার শর্তসাপেক্ষে রোহিঙ্গাদের পাসপোর্ট দিতে সম্মত হয়। শর্ত অনুযায়ী, এসব পাসপোর্টধারী ব্যক্তি কখনও বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারব...

একই কবরস্থানে চিরনিদ্রায় স্বামী–স্ত্রী ও শিশু সন্তান, উত্তরা অগ্নিকাণ্ডে হৃদয়বিদারক পরিণতি

ছবি
রাজধানীর উত্তরা এলাকায় সংঘটিত এক মর্মান্তিক অগ্নিকাণ্ড কেড়ে নিয়েছে একটি পরিবারের সব আলো। আগুনে প্রাণ হারানো ছয়জনের মধ্যে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার একই পরিবারের তিন সদস্য—স্বামী, স্ত্রী ও তাদের দুই বছরের শিশু সন্তানকে পাশাপাশি কবরে দাফন করা হয়েছে। হৃদয়বিদারক এই দৃশ্য শনিবার এলাকাবাসী ও স্বজনদের চোখে জল এনে দেয়। শেষ বিদায়ে ভারী হয়ে ওঠে গ্রাম শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল থেকে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া কাজীবাড়ি এলাকায় নেমে আসে শোকের ছায়া। বেলা ১১টায় পারিবারিক কবরস্থানে জানাজা শেষে একসঙ্গে দাফন করা হয় কাজী ফজলে রাব্বি রিজভী (৩৮), তার স্ত্রী আফরোজা আক্তার সুবর্ণা (৩৭) এবং তাদের একমাত্র সন্তান কাজী ফাইয়াজ রিশানকে। জানাজায় অংশ নেন আত্মীয়স্বজন, প্রতিবেশী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। একসঙ্গে তিনটি কবর খোঁড়া হয়, পাশাপাশি চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয় একটি সম্পূর্ণ পরিবারকে। উপস্থিত অনেকেই চোখের জল ধরে রাখতে পারেননি। যারা আর ফিরবে না নিহত কাজী ফজলে রাব্বি রিজভী ছিলেন কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার চিওড়া কাজী বাড়ির বাসিন্দা। তার পিতা কাজী খোরশেদ আলম এলাকায় পরিচিত একজন ব্যক্তি। আফরোজা আক্তার সুবর...

ইরানকে শেষ সুযোগ দিতে রাজি ট্রাম্প! নেপথ্যে সৌদি, কাতার ও ওমানের কূটনীতি

ছবি
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে বড় ধরনের সংঘাত আপাতত এড়ানো গেছে। ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন সামরিক হামলা ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে আরও একবার দেশটিকে “সুযোগ দেওয়ার” সিদ্ধান্তে রাজি করিয়েছে সৌদি আরব, কাতার ও ওমান। উপসাগরীয় এই তিন দেশের সম্মিলিত কূটনৈতিক তৎপরতায় শেষ মুহূর্তে অবস্থান পরিবর্তন করেন ট্রাম্প। কূটনীতির নেপথ্যের প্রচেষ্টা গালফ নিউজের বরাতে বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সৌদি আরবের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে তিনি জানান, মধ্যপ্রাচ্যে সম্ভাব্য ভয়াবহ নেতিবাচক প্রভাবের আশঙ্কা থেকেই সৌদি আরব, কাতার ও ওমান একযোগে ওয়াশিংটনের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ শুরু করে। ওই কর্মকর্তা বলেন, ইরান যেন তার সদিচ্ছা দেখানোর সুযোগ পায়—এই যুক্তিতেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে রাজি করানোর চেষ্টা চলে। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত চলা এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এখনো পুরোপুরি শেষ হয়নি বলেও জানান তিনি। কেন এত উদ্বেগ উপসাগরীয় দেশগুলোর ইরানে চলমান বিক্ষোভ ও সরকারের দমন-পীড়নকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরেই কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে আসছ...

সৌদি আরবে রেকর্ড সোনা উত্তোলন! নতুন চার খনি থেকে মিলল ২ লাখ ২১ হাজার কেজি সোনা

ছবি
সৌদি আরবের খনিজ সম্পদ খাতে নতুন এক মাইলফলক যুক্ত হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটি সাম্প্রতিক সময়ে ব্যাপক পরিমাণে সোনা উত্তোলনের মাধ্যমে আবারও প্রমাণ করেছে যে, জ্বালানি তেলের বাইরেও তাদের অর্থনীতির ভিত ক্রমেই শক্তিশালী হচ্ছে। সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন খনন কোম্পানি মা’আদেন (Ma’aden) চারটি খনি এলাকা থেকে মোট ৭৮ লাখ আউন্স সোনা উত্তোলনের ঘোষণা দিয়েছে, যা কেজিতে হিসাব করলে প্রায় ২ লাখ ২১ হাজার কেজির সমান। মা’আদেনের সাফল্যের পেছনের গল্প মা’আদেন দীর্ঘদিন ধরেই সৌদি আরবের খনিজ খাতের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে। সোনা, ফসফেট, অ্যালুমিনিয়াম ও অন্যান্য খনিজ সম্পদ আহরণে প্রতিষ্ঠানটি আধুনিক প্রযুক্তি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ওপর জোর দিয়ে আসছে। সাম্প্রতিক এই সোনা উত্তোলন তারই একটি বাস্তব উদাহরণ। কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, লক্ষ্যভিত্তিক ও পরিকল্পিত খনন কার্যক্রমের মাধ্যমেই এই বিপুল পরিমাণ সোনা উত্তোলন সম্ভব হয়েছে। শুরুতে তাদের লক্ষ্য ছিল ৯০ লাখ আউন্সের বেশি সোনা উত্তোলন করা। তবে বার্ষিক হিসাব ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বিবেচনায় নিয়ে চূড়ান্ত লক্ষ্যমাত্রা কিছুটা সমন্বয় করা হয়। কোন কোন খনি থেক...

বাংলাদেশের জন্য বড় সুখবর | কুয়েত খুলে দিল নতুন রপ্তানি বাজার

ছবি
বাংলাদেশের অর্থনীতি ও রপ্তানি খাতের জন্য একটি আশাব্যঞ্জক খবর এসেছে মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ দেশ কুয়েত থেকে। দীর্ঘ সময় ধরে চলা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে বাংলাদেশ থেকে হিমায়িত পোল্ট্রি মাংস, মাংসজাত পণ্য এবং ডিম আমদানির অনুমোদন দিয়েছে দেশটি। এই সিদ্ধান্তকে বাংলাদেশের খাদ্য ও পোল্ট্রি শিল্পের জন্য একটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। কুয়েতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস বৃহস্পতিবার এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। দূতাবাস জানায়, কুয়েত সরকার বাংলাদেশ থেকে আমদানিকৃত হিমায়িত মুরগির মাংস, মাংসজাত খাদ্যপণ্য এবং ডিমের ওপর যে নিষেধাজ্ঞা আগে আরোপ করেছিল, তা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করা হয়েছে। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল আশা করছে। দীর্ঘদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি খাদ্যপণ্য রপ্তানির সম্ভাবনা থাকলেও কিছু স্বাস্থ্যগত ও প্রশাসনিক কারণে বেশ কয়েকটি বাজারে সীমাবদ্ধতা ছিল। কুয়েতের এই সিদ্ধান্ত সেই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষ করে পোল্ট্রি খাত, যা দেশের একটি দ্রুত বর্ধনশীল শিল্প, এই সি...

চেহারা বদলে ৮ মাস আত্মগোপনে! সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোমেনের অজানা গল্প

ছবি
সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের দীর্ঘ আত্মগোপনের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তাঁর বর্ণনায় উঠে এসেছে রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় একজন পরিচিত মুখ কীভাবে সম্পূর্ণ অচেনা জীবনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন। প্রায় আট মাস ধরে তিনি দেশে আত্মগোপনে ছিলেন বলে দাবি করেছেন, যা ইতোমধ্যে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ড. মোমেন জানান, আত্মগোপনে থাকার সময় নিজের পরিচয় গোপন রাখতে তিনি শারীরিকভাবে বড় পরিবর্তন আনেন। আগে যাঁরা তাঁকে চিনতেন, তাঁদের চোখ এড়াতেই তিনি দাড়ি রাখেন এবং চুলের স্টাইল বদলে ফেলেন। নিয়মিত কোনো সেলুনে না গিয়ে তিনি বাসাতেই নাপিত ডেকে চুল ও দাড়ি কাটাতেন, যেন বাইরের কেউ তাঁকে শনাক্ত করতে না পারে। তাঁর ভাষায়, “এই পরিবর্তনটা আমার জন্য প্রয়োজন ছিল নিরাপত্তার স্বার্থেই।” অবস্থান গোপন রাখতে প্রযুক্তিগত দিকেও ছিলেন সতর্ক। তিনি বলেন, আত্মগোপনের পুরো সময়ে অন্তত ছয়বার মোবাইল ফোনের সিম পরিবর্তন করেছেন। কোনো নির্দিষ্ট নম্বর দীর্ঘদিন ব্যবহার করেননি। পরিচিতজনদের সাথেও সীমিত যোগাযোগ রেখেছেন, যাতে তাঁর অবস্থান সম্পর্কে কেউ নিশ্চিত তথ্য না পায়। সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—ত...

আটক বিএনপি নেতার মৃত্যু: সেনা সদস্য প্রত্যাহার, তদন্ত কমিটি গঠন

ছবি
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে আটক হওয়ার পর বিএনপি নেতা শামসুজ্জামান ডাবলুর মৃত্যুর ঘটনা নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গন, মানবাধিকার সংগঠন এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী অভিযানে অংশ নেওয়া ক্যাম্প কমান্ডারসহ সংশ্লিষ্ট সব সেনা সদস্যকে সাময়িকভাবে সেনানিবাসে প্রত্যাহার করেছে এবং একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। আইএসপিআরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে জীবননগরে একটি বিশেষ যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন একটি ফার্মেসি থেকে শামসুজ্জামান ডাবলুকে আটক করা হয়। সেনাবাহিনীর দাবি অনুযায়ী, আটক ব্যক্তির দেওয়া তথ্যে ওই ফার্মেসি থেকে একটি পিস্তল ও কিছু গুলি উদ্ধার করা হয়। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, অভিযান শেষে আটক ব্যক্তি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং অচেতন অবস্থায় তাকে দ্রুত জীবননগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত আনুমানিক ১২টা ২৫ মিনিটে তাকে মৃত ঘোষণ...

নির্বাচন ঘিরে নিরাপত্তায় নতুন সিদ্ধান্ত

ছবি
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে সারাদেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ভোটগ্রহণের আগে ও পরে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবার টানা সাত দিনের জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন থাকবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা সর্বশেষ পরিপত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ভোটকে কেন্দ্র করে ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবে বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা। এর মধ্যে রয়েছে ভোটের চার দিন আগে, ভোটের দিন এবং ভোটের পরের দুই দিন। কেন ৭ দিনের নিরাপত্তা বলয়? নির্বাচন একটি দেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের মতামত দিতে পারেন, সেজন্য একটি স্থিতিশীল ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি। অতীত অভিজ্ঞতা ও বর্তমান পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে নির্বাচন কমিশন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এই সিদ্ধান্তে পৌঁছেছে। তফসিল ঘোষণার পর বিভিন্ন এলাকায় বিচ্ছিন্ন কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটায় নিরাপত্তা জোরদারের বিষয়টি আরও গুরুত্ব পায়। এসব বিবেচনায় আগাম প্রস্তুতির অংশ হিসে...

নতুন বিশ্বব্যবস্থা: শক্তির রাজনীতিতে বদলে যাচ্ছে পৃথিবীর মানচিত্র

ছবি
এক সময় বিশ্ব রাজনীতি ছিল তুলনামূলকভাবে অনুমানযোগ্য। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বিশ্বের প্রধান নেতৃত্বদাতা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিল। গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও মুক্ত বাজার—এই তিন নীতির ব্যানারে তারা দীর্ঘদিন আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে পরিচালনা করেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাপ্রবাহ ইঙ্গিত দিচ্ছে, সেই একক নেতৃত্বের যুগ হয়তো শেষের পথে। ভেনেজুয়েলা থেকে ইউক্রেন, আবার ইউরোপের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা কাঠামো—সব ক্ষেত্রেই নতুন প্রশ্ন উঠছে। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার ভূমিকা ঘিরে বিশ্লেষকদের মধ্যে আলোচনা তুঙ্গে। যুক্তরাষ্ট্রের বদলে যাওয়া দৃষ্টিভঙ্গি ডোনাল্ড ট্রাম্পের রাজনৈতিক ভাষা বরাবরই সরাসরি ও বিতর্কিত। আগের মার্কিন প্রশাসনগুলো যেখানে কূটনৈতিক শব্দচয়ন ব্যবহার করত, সেখানে ট্রাম্প অনেক সময় খোলাখুলি জাতীয় স্বার্থের কথা বলেন। তাঁর বক্তব্যে বারবার উঠে এসেছে—যুক্তরাষ্ট্র আর পুরো পৃথিবীর “পাহারাদার” হতে চায় না। সাম্প্রতিক জাতীয় নিরাপত্তা কৌশলপত্রেও সেই মনোভাবের প্রতিফলন দেখা যায়। সেখানে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র বৈশ্বিক আধিপত্যের পরিবর্তে আঞ্চলিক প্রভাব বজায় রাখাকে বেশি গুরুত্ব দেবে। অর্থ...

বিভ্রান্তি ছড়ালে কি আইনি পদক্ষেপ আসছে? ইলিয়াস হোসেন প্রসঙ্গে সারজিসের কড়া মন্তব্য

ছবি
বাংলাদেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাব দিন দিন বাড়ছে। ফেসবুক, ইউটিউব, এক্স (সাবেক টুইটার) কিংবা অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম এখন শুধু ব্যক্তিগত মত প্রকাশের জায়গা নয়, বরং রাজনৈতিক আলোচনা, জনমত গঠন এবং সংবাদ প্রবাহের অন্যতম মাধ্যম হয়ে উঠেছে। এই বাস্তবতায় সামাজিক মাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণ ও তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের বিষয়টি আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকটিভিস্ট ইলিয়াস হোসেনকে ঘিরে আলোচনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্য প্রার্থী সারজিস আলম তার বিরুদ্ধে কঠোর মন্তব্য করেছেন। বুধবার দুপুরে পঞ্চগড়ের দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন। সংবাদ সম্মেলনে সারজিস আলম বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যা খুশি তাই পোস্ট করে মানুষকে বিভ্রান্ত করার প্রবণতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তার ভাষায়, “কেউ এমন ভাবতে পারেন না যে তিনি যা করবেন, তাই করেই পার পেয়ে যাবেন।” তিনি মনে করেন, পরিচিতি বা অনুসারীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় কেউ আইন ও নৈতিকতার ঊর্ধ্বে চলে যেতে পারেন না। স...

২০২৫ সালে শোবিজে যাদের সংসার ভাঙার খবর প্রকাশ্যে এসেছে

ছবি
চলে যাচ্ছে ২০২৫ সাল। বছর শেষে হিসাব-নিকাশে দেখা যায়, এটি ছিল দেশীয় শোবিজ অঙ্গনের জন্য এক পরিবর্তনমুখর সময়। কাজের সংকট, সিনেমা হল কমে যাওয়া, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে দর্শকের ঝোঁক—সব মিলিয়ে শিল্পীরা নানা চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে সময় পার করেছে ন। তবে পেশাগত আলোচনার পাশাপাশি আলোচনায় এসেছে কিছু শিল্পীর ব্যক্তিগত জীবনও। ২০২৫ সালে দেশীয় শোবিজে যেমন বেশ কয়েকটি বিয়ের খবর আলোচিত হয়েছে, তেমনি অল্প কিছু দাম্পত্য জীবনের ইতি টানার ঘটনাও সামনে এসেছে। যদিও ভাঙনের সংখ্যা খুব বেশি নয়, তবু যেসব বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ পেয়েছে, সেগুলো ভক্তদের দৃষ্টি কেড়েছে। সংশ্লিষ্ট শিল্পীরাই বেশির ভাগ ক্ষেত্রে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন এবং সংযত অবস্থান বজায় রেখেছেন। দিলশাদ নাহার কনা ও গোলাম মোহাম্মদ ইফতেখার গহিন ২০২৫ সালে সংসার ভাঙার খবরে যাদের নাম প্রথমদিকে আলোচনায় আসে, তাদের মধ্যে অন্যতম সংগীতশিল্পী দিলশাদ নাহার কনা । তিনি ছয় বছর আগে ভালোবেসে গোলাম মোহাম্মদ ইফতেখার গহিন কে বিয়ে করেছিলেন। দাম্পত্য জীবনের শুরুটা সুখের হলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দু’জনের মধ্যে মতের অমিল তৈরি হয় বলে জানা যায়। শেষ পর্যন্ত পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমেই তারা আলাদ...

তারেক রহমানের রূপান্তর: ১৭ বছরের নির্বাসন কি বদলে দিয়েছে বাংলাদেশের রাজনীতির ভাষা?

ছবি
বাংলাদেশের রাজনীতিতে তারেক রহমান একটি বহুল আলোচিত নাম। এক সময় যিনি ছিলেন তীব্র বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দু, দীর্ঘ নির্বাসনের পর দেশে ফিরে তিনি যেন হাজির হয়েছেন এক ভিন্ন রাজনৈতিক সত্তা নিয়ে। ভাষা, আচরণ ও সিদ্ধান্তে যে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, তা শুধু সমর্থকদের নয়—সমালোচকদেরও ভাবিয়ে তুলেছে। প্রশ্ন উঠছে, এই পরিবর্তনের নেপথ্যে আসলে কারা? লন্ডনের দীর্ঘ নির্বাসন, না কি ঢাকার রাজনৈতিক বাস্তবতা? নির্বাসনের শুরু ও রাজনৈতিক ভাঙন ২০০৭ সালের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের মধ্য দিয়ে তারেক রহমানের জীবনে শুরু হয় এক কঠিন অধ্যায়। গ্রেফতার, মামলা, শারীরিক অসুস্থতা এবং পরবর্তীতে বিদেশে চিকিৎসা—সব মিলিয়ে তার রাজনৈতিক জীবন হঠাৎ করেই থমকে যায়। বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়লেও তিনি পুরোপুরি রাজনীতি থেকে সরে যাননি। দীর্ঘ সময় দেশের বাইরে অবস্থান করেও দলীয় নেতৃত্ব ধরে রাখা সহজ ছিল না। ভার্চুয়াল যোগাযোগের মাধ্যমে দল পরিচালনা, দমন-পীড়নের মুখে নেতাকর্মীদের মনোবল ধরে রাখা—এগুলো তার জন্য ছিল বড় চ্যালেঞ্জ। ব্যক্তিগত বেদনা ও অভিজ্ঞতার প্রভাব নির্বাসিত জীবনে তারেক রহমান শুধু রাজনৈতিক চাপ নয়, একের পর এক ব্যক্তিগত শোকের মধ্য দিয়ে ...

মাদুরো ইস্যুতে নতুন মোড়: যুক্তরাষ্ট্রের চাপ কি ভেনেজুয়েলার রাজনীতি বদলাতে পারবে?

ছবি
ভেনেজুয়েলার রাজনীতি বরাবরই আন্তর্জাতিক মনোযোগের কেন্দ্রবিন্দু। সাম্প্রতিক সময়ে নিকোলাস মাদুরোকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা এবং সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রশ্নটি এখন স্পষ্ট—একজন রাষ্ট্রপ্রধানকে কেন্দ্র করে নেওয়া বহিরাগত চাপ কি সত্যিই একটি সার্বভৌম দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা বদলে দিতে পারে? ভেনেজুয়েলার প্রেক্ষাপট ভেনেজুয়েলা দীর্ঘদিন ধরে অর্থনৈতিক সংকট, রাজনৈতিক মেরুকরণ এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। একদিকে রয়েছে মাদুরো নেতৃত্বাধীন সমাজতান্ত্রিক সরকার, অন্যদিকে বিভক্ত বিরোধী জোট। এই পরিস্থিতিতে দেশটির রাজনৈতিক ভারসাম্য অত্যন্ত সংবেদনশীল। মাদুরো ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশল নতুন নয়। অতীতেও ওয়াশিংটন ভেনেজুয়েলার সরকার পরিবর্তনের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে। তবে সাম্প্রতিক বক্তব্য ও পদক্ষেপ ঘিরে আবারও প্রশ্ন উঠেছে—এটি কি কূটনৈতিক চাপ, নাকি সরাসরি রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের ইঙ্গিত? যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ও বক্তব্য ডনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যে ভেনেজুয়েলা নিয়ে কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। তার প্রশাসনের সময় থেকেই “রেজিম চেঞ্জ” শব্দটি রাজনৈতি...

লাতিন আমেরিকায় নতুন উত্তেজনা: ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিতে কাঁপছে তিন দেশ

ছবি
লাতিন আমেরিকার রাজনীতিতে আবারও উত্তাপ ছড়াল মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক মন্তব্যে। কলম্বিয়া, ভেনেজুয়েলা ও কিউবাকে ঘিরে তার দেওয়া কড়া বক্তব্য শুধু কূটনৈতিক অঙ্গনেই নয়, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতেও নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, এসব মন্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের লাতিন আমেরিকা নীতিতে আরও কঠোর অবস্থানের ইঙ্গিত বহন করছে। রোববার এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ট্রাম্প কলম্বিয়া ও ভেনেজুয়েলাকে “গভীর সংকটে থাকা রাষ্ট্র” হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রোর নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এবং বলেন, দেশটির বর্তমান প্রশাসন কার্যকরভাবে রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যর্থ হচ্ছে। যদিও ট্রাম্পের এসব মন্তব্যকে কলম্বিয়া সরকার দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে। কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেত্রো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া একাধিক বার্তায় ট্রাম্পের বক্তব্যকে “ভিত্তিহীন ও রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” বলে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, লাতিন আমেরিকার দেশগুলোকে সম্মিলিতভাবে নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে হবে। পেত্রোর মতে, ঐক্যের অভাব থাকলে বড় শক্তিগুলো অঞ্চলটিকে নিজেদের স...

সৌদি আরবে কর্মী পাঠিয়ে নতুন রেকর্ড বাংলাদেশ: এক বছরে গেল সাড়ে সাত লাখ

ছবি
বিদেশে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে ২০২৫ সালে নতুন একটি মাইলফলক স্পর্শ করেছে বাংলাদেশ। জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)–এর তথ্য অনুযায়ী, এক বছরে সৌদি আরবে সাড়ে সাত লাখের বেশি বাংলাদেশি শ্রমিক গেছেন, যা একক কোনো দেশে সর্বোচ্চ কর্মী প্রেরণের রেকর্ড। সৌদি আরব কেন শীর্ষে বিএমইটি জানায়, ২০২৫ সালে বিদেশে গেছেন মোট ১১ লাখের বেশি বাংলাদেশি কর্মী। এর মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি সৌদি আরবকে গন্তব্য হিসেবে বেছে নিয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের তুলনায় সৌদি আরবে কর্মসংস্থানের সুযোগ, দীর্ঘমেয়াদি চাহিদা এবং তুলনামূলক স্থিতিশীল শ্রমবাজার এই প্রবণতাকে জোরদার করেছে। সরকারি তথ্য কী বলছে বিএমইটির অতিরিক্ত মহাপরিচালক আশরাফ হোসেন জানান, ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে সৌদি আরবে কর্মী পাঠানোর হার বেড়েছে প্রায় ১৬ শতাংশ। আগের বছর যেখানে প্রায় ৬ লাখ ২৮ হাজার কর্মী গিয়েছিলেন, সেখানে ২০২৫ সালে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ায় ৭ লাখ ৫০ হাজারের বেশি। প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবস্থান বর্তমানে সৌদি আরবে বসবাস ও কর্মরত বাংলাদেশির সংখ্যা প্রায় ৩৫ লাখ। ১৯৭০-এর দশক থেকে বাংলাদেশি শ্রমিকরা দেশটিতে কাজ করছেন এবং বর্তমানে সৌদি ...